1111bet ক্রিকেট বেটিং — T20 থেকে টেস্ট, সব ফরম্যাটে বাজি ধরুন
BPL, IPL, T20 বিশ্বকাপ এবং আন্তর্জাতিক সিরিজ — 1111bet-এ প্রতিটি ম্যাচে বাজি ধরার সুযোগ পাওয়া যায়। ম্যাচ শুরুর আগে বা লাইভে, পছন্দমতো মার্কেট বেছে নিন।
ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট ও জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা
ক্রিকেট মূলত তিনটি ফরম্যাটে খেলা হয় — T20, ওয়ানডে (ODI) এবং টেস্ট। প্রতিটির গতি, দৈর্ঘ্য এবং কৌশল আলাদা, ফলে বেটিং মার্কেটগুলোও ভিন্নভাবে কাজ করে।
T20 সবচেয়ে দ্রুতগতির ফরম্যাট। প্রতিটি দল মাত্র ২০ ওভার খেলে, তাই একটি ছক্কা বা একটি উইকেটও মার্কেটে দ্রুত পরিবর্তন আনে। BPL (বিপিএল) এবং IPL এই ফরম্যাটেই খেলা হয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে BPL একটি বিশেষ আকর্ষণ, কারণ দেশীয় খেলোয়াড়রা এখানে অংশ নেন।
ODI পঞ্চাশ ওভারের খেলা। T20-এর মতো অতটা তীব্র নয়, তবে একটানা গতির মধ্যেও কৌশল গড়ে ওঠার সুযোগ থাকে। ICC ওয়ানডে বিশ্বকাপ এই ফরম্যাটে আয়োজিত হয়।
টেস্ট হলো ক্রিকেটের দীর্ঘতম এবং অনেকের মতে সবচেয়ে পরিপক্ক ফরম্যাট। পাঁচ দিনের এই খেলায় ড্রও সম্ভব, তাই টেস্টের মার্কেটে তিনটি ফলাফল (দল A জয়, দল B জয়, ড্র) থাকে। T20 বা ODI-তে ড্র নেই — কেবল দুটি ফলাফল সম্ভব।
1111bet-এ BPL, IPL, T20 বিশ্বকাপ, Asia Cup এবং দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সিরিজের বাজার পাওয়া যায়। ক্রিকেট ছাড়াও ফুটবল ও অন্যান্য খেলায় বাজি ধরতে পারবেন — সে বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
ফুটবল ও অন্য খেলাধুলায় বেটিং
ক্রিকেটের পাশাপাশি 1111bet-এ ফুটবল এবং আরও কয়েকটি জনপ্রিয় খেলায় বাজি ধরা যায়। প্রতিটি খেলার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে, ফলে মার্কেটগুলোও আলাদা।
ফুটবল
ফুটবলে ম্যাচ-উইনার মার্কেটে তিনটি ফলাফল থাকে — দল A জয়, ড্র, দল B জয়। এটি ক্রিকেট T20-এর দুই-ফলাফলের মার্কেট থেকে আলাদা। হাফটাইম ও ফুলটাইম স্কোর, গোল সংখ্যা এবং কর্নারের বাজার বেশ জনপ্রিয়।
ক্যাবাডি ও অন্যান্য
কিছু আঞ্চলিক খেলা যেমন কাবাডিতেও বেটিং পাওয়া যায়। এসব খেলায় সাধারণত সরল ম্যাচ-উইনার মার্কেট থাকে, মাল্টি-লেগ বাজির সুযোগ কম।
ক্রিকেট বনাম ফুটবল — পার্থক্য
ক্রিকেটে ওভার-বাই-ওভার মার্কেট পরিবর্তন হয়, যেটি ফুটবলের চেয়ে বেশি বিচিত্র। টেস্টে পাঁচ দিন ধরে পরিস্থিতি বদলায়, তাই লাইভ বেটিং আরও গতিশীল।
1111bet-এ স্লট এবং লাইভ ক্যাসিনোও খেলা যায়। 1111bet casino-তে লাইভ ব্যাকারাত, রুলেট ও তিন পাত্তি পাওয়া যায় — ক্রিকেট সিজনের বাইরেও বিনোদনের কোনো অভাব নেই।
জনপ্রিয় বেটিং মার্কেট এবং প্রতিটির সহজ পরিচয়
1111bet-এ ক্রিকেট ম্যাচের জন্য একাধিক মার্কেট থাকে। প্রতিটি মার্কেট কীভাবে কাজ করে তা সহজ ভাষায় নিচে বলা হলো।
ম্যাচ উইনার
কোন দল ম্যাচ জিতবে তার উপর বাজি। T20 এবং ODI-তে দুটি ফলাফল, টেস্টে তিনটি। উদাহরণ: দল A বা দল B-কে বিজয়ী বেছে নেওয়া।
টস বিজয়ী
ম্যাচ শুরুর আগে টস কে জিতবে সেটির উপর বাজি। দুটি ফলাফল, প্রতিটির সম্ভাবনা প্রায় সমান থাকে বলে অডস কাছাকাছি থাকে।
টপ ব্যাটসম্যান
কোনো দলের পক্ষে কে সবচেয়ে বেশি রান করবেন। একটি দলের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হয়, তাই সাধারণত একাধিক অপশন থাকে।
মোট রান ওভার/আন্ডার
ম্যাচে বা একটি ইনিংসে মোট রান নির্ধারিত একটি সংখ্যার বেশি হবে (ওভার) নাকি কম (আন্ডার) — এটি বেছে নিতে হয়। উদাহরণ: প্রথম ইনিংসে ১৬০ রানের উপরে বা নিচে।
টপ বোলার
কোনো দলের হয়ে কে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেবেন। বোলিং পিচ এবং আবহাওয়া এই মার্কেটকে প্রভাবিত করে।
মাল্টি বেট (একাধিক বাজি)
একাধিক সিলেকশন এক বাজিতে জুড়ে দেওয়া হয়। সব সিলেকশন সঠিক হলে অডস গুণ হয়, একটিও ভুল হলে পুরো বাজি হারায়। উদাহরণের বিস্তারিত নিচের অডস অংশে দেওয়া আছে।
অডস কীভাবে পড়বেন — তিনটি ফরম্যাট
বেটিং অডস তিনটি ভিন্ন উপায়ে লেখা হয়। তিনটিই একই সম্ভাবনা প্রকাশ করে, শুধু লেখার ধরন আলাদা। নিচে দুটি কংক্রিট উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা পরিষ্কার করা হলো।
উদাহরণ ১ — দল A জয়, বাজি ৳১,০০০
| ফরম্যাট | মান | অর্থ |
|---|---|---|
| ডেসিমাল | 3.00 | জিতলে ৳৩,০০০ ফেরত |
| ফ্র্যাকশনাল | 2/1 | প্রতি ১ টাকায় ২ টাকা লাভ |
| আমেরিকান | +200 | ১০০ টাকায় ২০০ টাকা লাভ |
দল A জিতলে ফেরত ৳৩,০০০ (৳২,০০০ লাভ + মূল ৳১,০০০ বাজি)। দল A হারলে ৳১,০০০ বাজি যায়।
উদাহরণ ২ — ফেভারিট দল B জয়, বাজি ৳১,০০০
| ফরম্যাট | মান | অর্থ |
|---|---|---|
| ডেসিমাল | 1.25 | জিতলে ৳১,২৫০ ফেরত |
| ফ্র্যাকশনাল | 1/4 | প্রতি ৪ টাকায় ১ টাকা লাভ |
| আমেরিকান | -400 | ১০০ টাকা লাভ করতে ৪০০ টাকা বাজি |
দল B জিতলে ফেরত ৳১,২৫০ (৳২৫০ লাভ + মূল ৳১,০০০)। আমেরিকান মাইনাস অডস মানে ঐ পরিমাণ বাজি রাখলে ১০০ টাকা লাভ হয়।
মাল্টি বেটের উদাহরণ
ধরুন তিনটি সিলেকশন বেছে নিলেন যাদের ডেসিমাল অডস যথাক্রমে 1.60, 1.70 এবং 1.90। এই তিনটি গুণ করলে মিলিত অডস হয় 1.60 × 1.70 × 1.90 = ৫.১৭ (প্রায়)। তাই ৳১০০ বাজিতে সবগুলো সঠিক হলে ফেরত ৳৫১৭। তবে যেকোনো একটি সিলেকশন ভুল হলেই পুরো ৳১০০ হারাবেন। মাল্টি বেটে রিটার্ন বেশি, কিন্তু ঝুঁকিও বেশি।
লাইভ ইন-প্লে বেটিং — ওভার বদলালে অডসও বদলায়
ম্যাচ শুরু হওয়ার পরেও 1111bet-এ বাজি ধরা যায়। এই লাইভ বেটিংয়ে প্রতিটি বল, প্রতিটি উইকেট এবং প্রতিটি ওভারের পর অডস নতুন করে নির্ধারিত হয়।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়: ম্যাচের শুরুতে দল A-কে ফেভারিট ধরা হলেও যদি তাদের দুটি উইকেট দ্রুত পড়ে যায়, তাহলে দল A-এর জয়ের অডস বেড়ে যায় এবং দল B-এর অডস কমে আসে। এই পরিবর্তনটি লাইভ বেটিংকে আরও গতিশীল করে তোলে।
পাওয়ারপ্লে শেষ হলে, কোনো বড় পার্টনারশিপ শুরু হলে বা ডেথ ওভারে হিটারেরা ব্যাট করতে এলে মার্কেট দ্রুত বদলায়। T20-তে এই পরিবর্তনের গতি সবচেয়ে বেশি।
লাইভ বেটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কম থাকে। তাই বাজির আকার আগে থেকে ঠিক করে রাখা, এবং নিজের বাজেটের মধ্যে থাকাটা জরুরি।
- ভালো ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে লাইভ অডস দ্রুত দেখা যায়।
- বাজি কনফার্মের পর অডস পরিবর্তন হলে সাধারণত নতুন অডসে বাজি নিশ্চিত হয়।
- লাইভ স্কোরকার্ড দেখতে দেখতে মার্কেট মনিটর করুন।
বেটিং শুরুর আগে কাজের কথা
ক্রিকেট বেটিং বিনোদনের একটি অংশ। এখানে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে অভিজ্ঞতাটা ভালো থাকে।
- বাজেট আগে ঠিক করুন। প্রতিটি সেশনে কতটুকু ব্যয় করবেন তা আগেই নির্ধারণ করুন এবং সেটি মেনে চলুন।
- মার্কেট ভালো করে বুঝুন। অপরিচিত মার্কেটে বাজি ধরার আগে সেটির নিয়ম পড়ে নিন।
- হার পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এড়িয়ে চলুন। হেরে গেলেই বড় বাজি দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চিন্তা বেটিংকে ক্ষতিকর করে তোলে।
- বিরতি নিন। টানা দীর্ঘ সময় বেটিং না করে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া ভালো।
- দায়িত্বশীল খেলা মেনে চলুন। 1111bet-এর দায়িত্বশীল খেলা পাতায় স্ব-নিয়ন্ত্রণের বিস্তারিত তথ্য পাবেন।
- নিয়ম জেনে রাখুন। বোনাস ওয়েজারিং এবং উইথড্র শর্ত সম্পর্কে জানতে নিয়ম ও শর্তাবলী পড়ুন।
ক্রিকেট বেটিং ২১ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য।
1111bet-এ ক্রিকেট বেটিং শুরু করুন
প্রথমবার ডিপোজিটে 1111bet দেয় ১০০% বোনাস, সর্বোচ্চ ৳২০,০০০ — বোনাসের পরিমাণ ২০ গুণ ওয়েজার করতে হবে। উদাহরণ: ৳১,০০০ ডিপোজিট করলে ৳১,০০০ বোনাস পাবেন, মোট ব্যালেন্স ৳২,০০০ এবং ওয়েজার ৳১,০০০ × ২০ = ৳২০,০০০। ন্যূনতম ডিপোজিট মাত্র ৳২০০। bKash, Nagad, Rocket ও ব্যাংক ট্রান্সফারে পেমেন্ট করা যায়। উইথড্র সাধারণত ৫-৩০ মিনিটে সম্পন্ন হয়, ন্যূনতম ৳১,০০০।